এখনকার দিনে স্মার্টফোনে আগুন লাগা বা ব্লাস্ট হওয়ার ঘটনা খুব সাধারণ ব্যাপার। আজই শাওমির নতুন ফোন Redmi Note 7S এ আগুন ধরার ঘটনা সামনে আসে। কোম্পানি যদিও দাবি করেছে ফোনে আগুন ধরার কারণ তাদের ডিভাইসের  কোনো ত্রুটি নয়, এটি সম্পূর্ণ বাহ্যিক কারণে ঘটেছে। যদিও মুম্বাইয়ের বাসিন্দা ঈশ্বর চৌহান জানিয়েছেন, সে কখনও ফোনটিকে অন্য চার্জার দিয়ে চার্জ করেনি বা হাত থেকে ফোনটি পড়েও যায়নি। পরে শাওমির অথোরাইজড সেন্টারে গেলে বলা হয় ব্যাটারির সমস্যার কারণে ফোনে আগুন ধরে যায়।
যদি আমরা ভালোভাবে একটা বিষয় লক্ষ্য করি যে, বেশিরভাগ ফোনে আগুন লাগার কারণ ব্যাটারি। আমাদের ব্যবহারের ভুলেই কিন্তু ব্যাটারির ক্ষমতা কমে যায় এবং এটিতে আগুন ধরে যায়। আজ আমরা এই ধরণের কয়েকটি ঘটনা আপনাদেরকে বলবো যেগুলোর কারণে ব্যাটারি ব্লাস্ট হতে পারে বা আপনার ফোনে প্রভাব পড়তে পারে।
স্মার্টফোনের ব্যাটারির সাথে এধরণের কাজ কখনো করবেন না : 
স্মার্টফোনকে বালিশের নীচে রেখে কখনও ঘুমোবেন না। এরফলে ফোনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং প্রভাব পরে। খুব বেশি উত্তপ্ত হয়ে গেলে ফোনটি ব্লাস্ট পর্যন্ত হতে পারে।
কোনও ডুপ্লিকেট চার্জার বা অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করবেন না। এটি ফোনের চার্জিং পয়েন্ট এবং ব্যাটারির ক্ষমতাকে নষ্ট করতে পারে।
গাড়ীর চার্জার দিয়ে মোবাইল চার্জ করবেন না। ফোন চার্জ করার জন্য পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করা ভাল।
যদি আপনার ফোনটি গরম হতে শুরু করে, আপনার উচিত অবিলম্বে এটি ব্যবহার বন্ধ করা । এরফলে ফোনটি আবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসবে।
আপনি যখনই ফোনের ব্যাটারি পরিবর্তন করবেন তখন কখনোই ডুপ্লিকেট ব্যাটারি কিনবেন না । সবসময় আসল ব্যাটারিকে অগ্রাধিকার দিন এবং কেবল সেগুলিই কিনুন।
ফোনকে সারা রাত চার্জিংয়ে রাখবেন না। এটি ফোনটিকে অতিরিক্ত উত্তপ্ত করতে এবং ব্লাস্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
স্মার্টফোনকে সূর্যের আলোতে সরাসরি রেখে চার্জ করবেন না। এটি ফোনের অতিরিক্ত উত্তাপের কারণ হতে পারে।
ফোনটি রিপেয়ার করতে চাইলে কখনও স্থানীয় দোকানে যাবেন না। সর্বদা অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here