এই মুহূর্তে প্রিপেড গ্রাহকদের প্রথম পছন্দ জিও ও এয়ারটেল। জিও-র আইইউসি প্যাক ও অল ইন ওয়ান প্যাক নিয়ে আসার পর এয়ারটেল ও বেশ কয়েকটি প্রিপেড প্ল্যান এনেছে। এর সাথে কোম্পানি সারা দেশে চালু করেছে 4G VoLTE পরিষেবা। এছাড়াও এয়ারটেল জলদি নিয়ে আসছে VoWifi সার্ভিস। এই সার্ভিস ব্যবসায়িকভাবে চলে এলে গ্রাহকরা কল ড্রপ থেকে মুক্তি পেতে পারে।
এদিকে গ্রাহক ধরতে এয়ারটেল পাবলিক প্লেসে ওয়াই-ফাই হট স্পটগুলির মাধ্যমে ইন্টারনেট সরবরাহ করতে । এর জন্য ব্যবহারকারীদেরকে প্রিপেড ওয়াই-ফাই প্যাক সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, প্রিপেড ব্যবহারকারীরা কীভাবে এই ওয়াই ফাই হট স্পট সুবিধাটি গ্রহণ করতে পারবেন এবং তাদের কাছে কত ডেটা দেওয়া হবে?
নির্বাচিত শহরগুলিতে ৫০০ এর বেশি  Wi-Fi জোন :
এয়ারটেল এরজন্য পাবলিক প্লেসে ওয়াই-ফাই জোন তৈরি করতে চলেছে। Airtel Wi-Fi জোনগুলো বিমানবন্দর, পার্ক, কলেজ এবং হাসপাতাল এর মতো সরকারী স্থানে সেট আপ করা হবে। কোম্পানিটি ইতিমধ্যেই ৫০০ টিরও বেশি Wi-Fi জোন তৈরি করেছে। এই ওয়াই-ফাই জোনগুলি হায়দরাবাদ, দিল্লি, পুনে, বেঙ্গালুরু সহ দেশের বড়ো বড়ো শহরে তৈরী হবে। এই পরিষেবা উপভোগ করতে এয়ারটেল প্রিপেড গ্রাহকদের তাদের স্মার্টফোনে এয়ারটেল থ্যাঙ্কস অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। এয়ারটেলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে গ্রাহকদের অ্যাপটির সাথে ২০ জিবি ফ্রি ওয়াই-ফাই ডেটাও দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে, এই সুবিধাটি কেবল প্রিপেইড ব্যবহারকারীদের জন্য উপলব্ধ করা হচ্ছে।
কিভাবে ব্যবহার করবেন :
আপনি যখনই কোনও এয়ারটেল ওয়াই-ফাই জোনের কাছাকাছি আসবেন, সাথে সাথেই আপনি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের লিস্টে Airtel Wi-Fi এর নামটি দেখতে পাবেন। এয়ারটেল ওয়াই-ফাইয়ের সাথে সংযুক্ত হওয়ার পরে আপনাকে Airtel Thanks অথবা My Airtel অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। সেখানে আপনি “My Wi-Fi” বিকল্পটি দেখতে পাবেন। এরপর আপনাকে পারমিশন একসেপ্ট করতে হবে।। এরপর Connect অপশনে ক্লিক করতে হবে এবং আপনার নম্বর এন্টার করে ওটিপি এর জন্য রিকোয়েস্ট করতে হবে। এবার ওটিপি সাবমিট করার সাথে সাথেই এয়ারটেল ওয়াই-ফাই হট স্পটের মাধ্যমে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে পারবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here