২০১৬ তে রিলায়েন্স জিও যখন ভারতীয় টেলিকম মার্কেটে প্রবেশ করেছিল তখন তাদের স্লোগান ছিল সবচেয়ে কম দামে সবচেয়ে বেশি সুবিধা প্রদান করা। এই কারণেই কয়েক বছরের মধ্যে ৩৫৩ মিলিয়ন গ্রাহক জুড়তে পেরেছে কোম্পানিটি। তবে ২০১৯ এর অক্টোবর মাস থেকে আপনি আর রিলায়েন্স জিও কে বেশি সুবিধাদায়ক কোম্পানি বলতে পারবেন না। সম্প্রতি দাম বাড়িয়ে নতুন প্ল্যান আনার পর জিও-র থেকে অনেকটাই সস্তায় পরিষেবা দিচ্ছে ভোডাফোন ও এয়ারটেল। আসুন দেখে নিই কোথায় রিলায়েন্স জিও গ্রাহকরা ভোডাফোন ও এয়ারটেল গ্রাহকদের থেকে কম সুবিধা পাচ্ছে।
রিলায়েন্স জিও ৫৬ দিনের প্ল্যান :
৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি সহ জিও ৩৯৯ টাকা এবং ৪৪৪ টাকার দুটো প্ল্যান নিয়ে এসেছে। এই দুই প্ল্যানে যথাক্রমে রোজ ১.৫ জিবি এবং ২ জিবি ডেটা দেওয়া হবে। এরসাথে জিও থেকে জিও আনলিমিটেড কল এবং জিও থেকে অন্য নেটওয়ার্কে কলের জন্য ২,০০০ মিনিট পাওয়া যাবে। আবার প্রতিদিন ১০০ এসএমএস ও দেওয়া হবে।
এয়ারটেল ও ভোডাফোন ৫৬ দিনের প্ল্যান :
এয়ারটেল ও ভোডাফোনের ৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি যুক্ত দুটো প্ল্যান হলো ৩৯৯ টাকা ও ৪৪৯ টাকা। এই দুই প্ল্যানে গ্রাহকরা যথাক্রমে রোজ ১.৫ জিবি ও ২ জিবি ডেটা পাবে। আবার দুটি প্ল্যানেই গ্রাহকরা সমস্ত নেটওয়ার্কে আনলিমিটেড কলের সুবিধা ভোগ করবে। এছাড়াও ৩৯৯ টাকার প্ল্যানে রোজ ১০০ টি ও ৪৪৯ টাকার প্ল্যানে রোজ ৯০ টি এসএমএস দেওয়া হবে।
অর্থাৎ আমরা দেখলাম ৫৬ দিনের ভ্যালিডিটি যুক্ত জিও, এয়ারটেল ও ভোডাফোনের প্ল্যানের মূল্য প্রায় একই। তিনটে কোম্পানিই সমপরিমাণ ডেটা অফার করছে। কিন্তু জিও তাদের প্ল্যানে অন্য নেটওয়ার্কে কল করার জন্য কেবল ২,০০০ মিনিট দিচ্ছে। এরপরে ৬ পয়সা প্রতি মিনিটে চার্জ করা হবে। তবে এয়ারটেল ও ভোডাফোন আনলিমিটেড কলের সুবিধা রেখেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here