মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) এর প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। ২০১৯ এর অক্টোবরে গত মাসের তুলনায় ২৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটির সংখ্যা। পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে মানুষ তাদের পুরানো অপারেটর কে বদলাতে আগ্রহী নয়। এটির পিছনে একটাই কারণ থাকতে পারে যে, তিনটি বেসরকারী কোম্পানি- এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া এবং রিলায়েন্স জিওর প্ল্যানের মূল্য ও পরিষেবা প্রায় এক।
অক্টোবরে নম্বর পোর্টেবিলিটির আবেদন এসেছে ৪১ লক্ষ :
টেলিকম মার্কেট বিশ্লেষকরা জানিয়েছে, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) এর আবেদন কম আসায় টেলিকম কোম্পানিগুলির জন্য ভালো খবর। কারণ তাদের পুরানো গ্রাহক কে ধরে রাখতে আকর্ষণীয় প্ল্যান কম আনতে হবে। বরং নতুন গ্রাহকদের জন্য সেই অর্থ ঢালতে পারবে। ট্রাইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টোবরে ৪১ লক্ষ এমএনপি এর আবেদন এসেছে, যা গত মাসে ছিল ৫৪ লক্ষ।
গ্রাহকরা কোনো জায়গায় অধিক সুবিধা পাচ্ছেনা :
সেলুলার অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার মহাপরিচালক, রাজন ম্যাথিউজ বলেছেন, “পোর্টেবিলিটির মূল কারণ হল সস্তা প্ল্যান। আগে গ্রাহকরা যেখানে বেশি সুবিধা সেই নেটওয়ার্কে চলে যেত, তবে এখন সমস্ত টেলিকম কোম্পানির প্ল্যানের মূল্য এক। ফলে মানুষ কোথাও অধিক সুবিধা পাচ্ছেনা। আর সেকারণেই অপারেটর বদলে আগ্রহ হারাচ্ছে।
প্রসঙ্গত গত অক্টোবর মাসে জিও আইইউসি চালু করার পর অনেকে মনে করেছিল, তাদের গ্রাহক সংখ্যা কমবে। তবে বাস্তবে দেখা গেছে ওই মাসে ৯১ লক্ষ নতুন গ্রাহক পেয়েছে জিও। এদিকে ডিসেম্বর থেকে এয়ারটেল, ভোডাফোন-আইডিয়া ও জিও তাদের প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে প্রায় সমান সমান সুবিধা দিচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here